জাতীয় সঙ্গীত
Date Time

প্রধান শিক্ষকের বাণী

মুজিববর্ষ, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং বিজয় র্জনের অর্ধশতাব্দী-এই ত্রিতের অংশ হতে পারা নিঃসন্দেহে মহাগোরবর। এই মহাগৌরবের মহানায়ক ক্ষণজন্মা পুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যাঁর আহবানে সাড়া দিয়ে দীর্ঘ নয় মাস মরণপণ যুদ্ধের মাব্যনে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেন্বর অর্জিত হয় আমাদের কাজ্খত বিজয়। স্মরণ করছি মহান মক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লক্ষ শহাদকে দই পশণ

মা-বােনকে; যাদের অসামান্য আত্মত্যাগের বিনিময় আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ। মজিববর্ষের এই মাহেন্দ্রক্ষরণে আরও করছি জাতীয় চার নেতাকে শিক্ষাই হলো মানবজীবনের সবচেয়ে মুল্যবান সম্পদ। নদী ও হাওর-বাওরে ঘেরা, ভাটিয়ালি ও জারিসার গান, রাখালি বাশির মেঠোসুর, নানান প্রজাতির পাখপাখালির কলরবে সम্পূর্ণ এক গ্রামীণ পরিবেশে ঘোেড়াউত্রা নদীর তীরে ১৯৮৫ সালের ১ জানুয়ারি কিশোরগঙ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলা সদর বীর মুক্তিযােদ্ধা প্রিন্সিপাল মােঃ আবদুল হক প্রতিষ্ঠা করেন তামিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে তিনি যে ত্যাগ-তিতিক্ষা প্রদর্শন করেছেন তা এসময়ের জন্য এক বিরল হাতিহাস। যা অ্র অঞ্চলের জন্শ্রুতিতে শিক্ষাক্ষত্রে তাঁর অসামান্য অবদানের কথা জানা যায়। তিনি এই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায়, একনিষ্ঠতা ও একাগ্রতায় দিন-রাত পরিশ্রম করে বিদ্যালয়টিকে হাওরের একমাত্র ও শ্রেষ্ঠ নারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে রূপ দিতে সক্ষম হয়েছেন। শিক্ষার আলোকবর্তিকা এই মানুষটিকে শিক্ষার বাতিঘর হিসেবে জাতীয় প্যায়ে সরকারি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বরেণ্য শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎ্সাহী হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্ী কর্তক পুরষ্ধত হয়েছেন। সর্বোপরি আমি তাঁকে এবং তার পরিবারের সকল সদস্যকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি। স্মরণ করছি রত্নগর্ভা মহিয়সী নারী তমিজা খাতুনকে ২০১৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বিদ্যালয়টিকে জাতীয়করণ করা হয়। জাতীয়করণের সুসংবাদে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্তা জানাচ্ছ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মােঃ আবদুল হামিদ মহােদয় ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি মহোেদয়কে। তমিজা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিবার হতে ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘ধন্য জননী তমিজা’ প্রকাশনা উদ্যাগকে আমি স্বাগত জানাই। প্রকাশনাটি বঙ্গবন্ধু ও তাঁর আদের্শকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই মূল লক্ষ্য। সেই সাথে তাঁর ত্যাগ ও দেশপ্রেমের প্রতিটি অধ্যায় শিক্ষার্থীদেরকে উজ্জীবিত করতে অনুপ্রাণিত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতুত্ে বর্তমান সরকার এদেশের শিক্ষাথাতে এক মাইলফলক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এবং সর্বজন গ্রহণযোগ্য শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেছেন। ১ জানুয়ারি দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক সরের সকল শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই পৌছানো, মাদ্রাসা শিক্ষা আধুনিকায়ন, কারিগরি শিক্ষার উপর গুরুত্বারােপ, শিক্ষাক্রম সময়াপযোগী ও সর্বস্তরে শিক্ষার তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতকরাসহ সর্বক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন সাধন করেছে। বর্তমান প্রজন্মুকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত, উন্নত প্রযুক্তিতে দক্ষ ও নৈতিক মূল্যবোধ সম্মৃদ্ধ সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তােলাই এ সরকারের মূল লক্ষ্য। তমিজা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সেই লক্ষ্য পূরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে দেখে প্রধান শিক্ষক হিসেবে আমি সত্যিই গর্ববেবাধ করছি। পরিশেষে “ধন্য জননী তমিজা” ম্যাগাজিনটি প্রকাশ করতে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেরছেন বিশেষ করে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মচারীগণতে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি।